মেনু নির্বাচন করুন

এনজিও

মাওনা ইউনিয়নাধীন এন জি ও সমূহের তালিকাঃ

 

১।প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।

 

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের পরিচিতি
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল একটি আমর্ত্মজাতিক শিশু কেন্দ্রিক উন্নয়ন সংস্থা। প্ল্যান ১৯৩৭ সালে স্পেনে প্রথম সেবামূলক কার্যক্রম শুরম্ন করে । সংস্থার হেডকোয়ার্টার যুক্তরাজ্যে অবস্থিত । বর্তমানে প্ল্যান সারা বিশ্বের ৭১ টি দেশে কাজ করছে।। যার মধ্যে ৫০ টি প্রোগ্রাম কান্ট্রি যেখানে বিভিন্ন উন্নয়ন যেমন- স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিশু অধিকার ও সুরক্ষা, শিশু বিবাহ বন্ধ, বালিকা ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারাতে প্রশিক্ষণ, পুষ্টি, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, জন্মনিবন্ধন, আয়বৃদ্ধিমূলক প্রকল্প এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কর্মসূচী বাসত্মবায়িত হচ্ছে এবং ২১ টি রয়েছে দাতা দেশ যারা এই উন্নয়ন কর্মসূচী বাসত্মবায়নের জন্য অর্থের যোগান দেয়।
প্ল্যান ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত হয়। এছাড়া প্ল্যান ১৯৯৩ সালে ইউনিসেফ কর্তৃক উন্নয়ন সংস্থা হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে । প্ল্যান এর কোন রাজনৈতিক বা ধর্মীয় সম্পৃক্ততা নেই। উন্নয়নশীল দেশসমূহে প্ল্যান সরকার ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের সাহায্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে নিজ লক্ষ্য বাসত্মবায়নে কাজ করে থাকে।

বাংলাদেশে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের কার্যক্রম
১৯৯৪ সালে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে কাজ শুরম্ন করে। বর্তমানে দেশের ৭টি জেলার ১০টি উপজেলায় সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে অংশগ্রহনমূলক প্রক্রিয়ায় কর্মসূচী বাসত্মবায়ন করে আসছে। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করতে ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাজের মানকে গতিশীল করতে এবং এলাকাবাসীর ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্ল্যান সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ৩৫টি সেবাদানকারী সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে কর্মসূচী বাসত্মবায়ন করছে।

সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের ঠিকানা:
বাড়ী নং- সি ডাবিস্নওএন (বি)১৪,
রোড নং - ৩৫, গুলশান - ২
ঢাকা - ১২১২।
সংস্থা প্রধানের নাম: সেন্নায়েত গেব্রিগ্জেবিয়ার, পদবী: কান্ট্রি ডিরেক্টর
ফোন/ মোবাইল:০২-৯৮৬০১৬৭, ৮৮২৬২০৯
ফ্যাক্স নং - ৯৮৬১৫৯৯
ই-মেইল: plan.bangladesh@plan-international.org

সংস্থার নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্য:
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, নিবন্ধন নং - ৬৭০, সাল ১৪/১২/১৯৯২

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সুদূর প্রসারী লক্ষ্য
মানুষের অধিকার আর মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এমন একটি বিশ্বসমাজ গড়ে তোলা যেখানে শিশুরা তাদের সুপ্ত সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারে।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল এর উদ্দেশ্য
প্ল্যান এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠী বিশেষ করে শিশুদের চাহিদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে জোরদার করার লক্ষ্যে এলাকাবাসীকে নিয়ে কাজ করা।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ যাদের নিয়ে কাজ করে
• প্ল্যান বাংলাদেশ প্রধানত শিশুদের নিয়ে কাজ করে।
• সমাজে বসবাসরত সকল জনগোষ্ঠী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্ল্যান বাংলাদেশের সহযোগিতা পেয়ে থাকে। বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণী ও নারীদের নিয়ে কাজ করে ।

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কর্মপন্থা
• শিশু কেন্দ্রিক সমাজ উন্নয়ন

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর ৪টি প্রধান কর্মসূচী রয়েছে । কর্মসূচী ভিত্তিক কার্যক্রমগুলো নিমেণর টেবিলে দেখানো হল।

গুণগত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচী স্বাস্থ্য কর্মসূচী শিশু সুরক্ষা কর্মসূচী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচী
 ৩-৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য শিশু বিকাশ কার্যক্রম
 ৫-৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রি -স্কুল
 বিদ্যালয় ক্যাচমেন্টের ৩-১১ বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য বিদ্যালয় উন্নয়ন পরিকল্পনা  মা ও শিশু স্বাস্থ্য
 নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত
 প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা
 বিদ্যালয় এবং কমিউনিটি পর্যায়ে স্যানিটেশন, নিরাপদ পানি এবং হাইজিন কার্যক্রম
 শিশু অধিকার বাসত্মবায়ন
 শিশু সুরক্ষা
 শিশু বিবাহ বন্ধ প্রকল্প
 বালিকা ক্ষমতায়ন প্রকল্প
 যুব অর্থনৈতিক উন্নয়ন
 সু-শাসন প্রতিষ্ঠা
 সংগঠন উন্নয়ন
 সার্বজনীন জন্মনিবন্ধন
 জরম্নরী পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিদ্যালয়ে সার্বিক প্রস্ত্ততি গ্রহণে সহায়তা।
 দুর্যোগ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি।
 দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একযোগে কাজ করা।

প্ল্যান এর গাজীপুরস্থ আঞ্চলিক অফিসের ঠিকানা:
হাসপাতাল রোড (শাপলা সিনেমা হলের পশ্চিমে)
শ্রীপুর, গাজীপুর।
আঞ্চলিক প্রধানের নামঃ মো: আব্দুল কুদ্দুছ । পদবী: প্রোগ্রাম ইউনিট ম্যানেজার
ফোন/ মোবাইল: ০৬৮২৫-৫১৫১২, ০১৭১২- ৫৩৮৪৩০
ই-মেইল: abdul.quddus@plan-international.org

মাওনা ইউনিয়নে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কার্যক্রমঃ
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ মাওনা ইউনিয়নে ২০০৫ সাল থেকে কাজ করে আসছে। বর্তমানে সমগ্র ইউনিয়নে প্রায় ১৩০০০ পরিবারের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কাজ করছে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ প্রথমে কমিউনিটি শিক্ষা কর্মসূচীর মাধ্যমে মাওনা ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরম্ন করে। বর্তমানে প্ল্যান ৪ টি মূল কর্মসূচীর মাধ্যমে মাওনা ইউনিয়নে উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম বাসত্মবায়ন সহযোগিতা করছে। কর্মসূচীগুলো হলো- গুনগত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচী, স্বাস্থ্য কর্মসূচী, শিশু সুরক্ষা কর্মসূচী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচী।

মাওনা ইউনিয়নে প্ল্যান এর পার্টনার (সহযোগী ) সংস্থাসমূহঃ

সংস্থা প্রকল্প কর্মএলাকা
দুঃস্থ্য স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে) কমিউনিটি ম্যানেজড হেলথ কেয়ার সকল গ্রাম
মাওনা ইউনিয়ন পরিষদ বিকেন্দ্রীকৃত সার্বিক স্যানিটেশন সকল গ্রাম
ঢাকা আহছানিয়া মিশন গুণগত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচী ৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়
ঢাকা আহছানিয়া মিশন শিশু কেন্দ্রিক সুশাসন সকল গ্রাম

মাওনা ইউনিয়নে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত চলমান কর্মসূচী সমূহের পরিচিতিঃ

1. প্রকল্পের নামঃ প্রাক শৈশব শিশুর যত্ন ও বিকাশ কর্মসূচী (Early Childhood Care and Development Project)
প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ- শৈশবকালীন শিশুর বেঁচে থাকা, বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অভিভাবক ও শিশুর যত্নকারীদের শিশু লালন-পালনে দক্ষতা বৃদ্ধি করা। শিশুদের (বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের) শৈশবকালীন যত্ন ও বিকাশের সুযোগ বৃদ্ধি করা।
বর্তমানে মাওনা ইউনিয়নে ৩৪ টি শিশু বিকাশ কেন্দ্র ও ৪ টি প্রি স্কুলে সহযোগীতা রয়েছে।
উপকারভোগী সংখ্যাঃ- প্রত্যক্ষ ৩৮২ জন, পরোক্ষ প্রায় ২৭০০ জন

2. প্রকল্পের নামঃ গুণগত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচী
প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ- বালক ও বালিকারা যাতে সমান সুযোগ পেয়ে যথাযথ যোগ্যতা নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় চক্র শেষ করতে পারে তার সুযোগ সৃষ্টি করা। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় শিশু ও কমিউনিটির অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।
বর্তমানে ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কার্যক্রমটি চালু রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে প্যারা শিক্ষক,শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা উপকরণ,মা সমাবেশ ও
দিবস উদ্যাপনে সহযোগিতা প্রদান করে আসছে ।
উপকারভোগী সংখ্যাঃ- প্রত্যক্ষ ১৯৭৬ জন শিশু (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী) পরোক্ষ প্রায় ৮০০০ জন

3. প্রকল্পের নামঃ যুব অর্থনৈতিক উন্নয়ন
প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ- - হত দরিদ্র অদক্ষ যুবক যুবতীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ ও যোগ্য কর্মী হিসেবে গড়ে তোলা ও
কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।
প্রায় ৫০ জন বেকার যুবক যুবতীর প্রশিক্ষন ওকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে ।
4. প্রকল্পের নামঃ শিশু কেন্দ্রিক সমাজ উন্নয়ন (Child Centered Community Development
প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ- সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বিশেষ করে শিশু, নারী এবং বিশেষ চাটিদা সম্পন্নদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা। মৌলিক সেবাসমূহে সকলের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি করা। পস্ন্যানের কর্ম এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও তৃণমূল সংগঠন সমূহের অংশগ্রহণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে জবাবদিহিতা এবং সুশাসন গতিশীল করা। পস্নানের কর্ম এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমসমূহের মধ্যে শিশু অধিকার গুরম্নত্বের সাথে তুলে ধরা।
মাওনা ইউনিয়নে ১০টি গ্রাম উন্নয়ন কমিটি ও ১০টি শিশু সংগঠন আছে যেখানে ২১টি গ্রামের শিশু, নারী ও পুরম্নষের প্রতিনিধিত্ব
রয়েছে।এদের সাথে নিয়মিত সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ,পাড়া মিটিং ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় সহযোগিতা করা হয় ।
উপকারভোগী সংখ্যাঃ প্রত্যক্ষ ১২০০০ জন, পরোক্ষ প্রায় ৩০০০০ জন।

5. প্রকল্পের নামঃ বালিকা ক্ষমতায়ন প্রকল্প
প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ বালিকা ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার বৈষম্য দূরীকরন ( বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগের মাধ্যমে )
উপকারভোগী সংখ্যাঃ প্রত্যক্ষ বালিকা ২০০ জন এবং পরোক্ষ ১৫০০ জন বালক, বালিকা, নারী, পুরুষ ।

6. প্রকল্পের নামঃ শিশু বিবাহ বন্ধ
শিশু বিবাহের কুফল সর্ম্পকে বিভিন্ন ক্যাম্পইনের মাধ্যমে (প্রশিক্ষণ ,অভিভাবক সভা, ইমাম প্রশিক্ষণ,মেয়ে শিশুদের প্রশিক্ষণ,স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি ও শিক্ষকদের সাথে মিটিং,উন্নয়ন নাটিকা, র‌্যালী) জনগনকে সচেতন করা হচ্ছে।
উপকারভোগী সংখ্যাঃ প্রত্যক্ষ ৫৫০০ বালক, বালিকা, নারী, পুরুষ ।

7. প্রকল্পের নামঃ ক্রস কালচারাল কমিউনিকেশন।
প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ- আমত্মঃদেশীয় যোগাযোগ তৈরীতে সহায়তা করা। সেচ্ছাসেবকদের যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
উপকারভোগী সংখ্যাঃ প্রত্যক্ষ ১২৫২ জন, পরোক্ষ ৫০০০ জন।
8. প্রকল্পের নামঃ সার্বজনীন জন্ম নিবন্ধন ( UBR)।
প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ- মাওনা ইউনিয়নের সকল বয়সের মানুষের জন্য জন্ম নিবন্ধন নিশ্চিত করা।
উপকারভোগী সংখ্যাঃ নারী ২৮৬০০, পুরুষ ২৮৮২৮, মোট ৫৭৪২৮ ।

9. প্রকল্পের নামঃ বিকেন্দ্রীকৃত সার্বিক স্যানিটেশন।
প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ- স্থানীয় সরকারের নেতৃত্বে স্যানিটেশন কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও সফল বাসত্মবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন। ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্বে সরকারের স্থানীয় প্রশাসন, এনজিও, এলাকার জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইউনিয়নের সার্বিক স্যানিটেশনের স্থায়ীত্বশীল মডেল তৈরি করা। এলাকার জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা বিশেষত; শিশু, নারী ও দরিদ্র জনগণের । যাতে তারা তাদের স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে । মৌলিক স্যানিটেশন সুযোগ সুবিধায় জনগণের অংশগ্রহণ ও ব্যবহার বৃদ্ধি করা এবং উন্নত স্বাস্থ্যাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করা।
উলেস্নখ্য যে, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ২০১৫ সালে মাওনা ইউনিয়নে ৮০০ হতদরিদ্র পরিবারকে স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন এবং ১১টি ডিপসেট টিউবয়েল স্থাপনে সহযোগিতা প্রদান করবে এবং বর্তমানে এই কাজ চলমান রয়েছে।
উপকারভোগী সংখ্যাঃ ৫৭০০০ জন

10. প্রকল্পের নামঃ কমিউনিটি ম্যানেজড হেল্থ কেয়ার প্রোগ্রাম (কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্প)।
প্রকল্পের উদ্দেশ্যঃ- মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো। শিশুর বিকাশ ও উন্নয়ন। প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে সহায়তা।
মাওনা ইউনিয়নের ৫ টি কমিউনি ক্লিনিকে ৪টি কমিউনিটি গ্রুপ ও ১ টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র ব্যবস্থ্পনা কমিটিকে সক্রিয়করন ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে গুনগত স্বাস্থ্য সেবা প্রদানে সহায়তা করা হচ্ছে। নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করার লক্ষ্য ইউনিয়নের ২ জন নারীকে দক্ষ ধাত্রী হিসাবে গড়ে তোলার জন্য ৬ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। কুমুুদিনি মেডিকেল কলেজ এই প্রশিক্ষন প্রদান করেছে।
উপকারভোগী সংখ্যাঃ ৫৭,০০০ জন।

মাওনা ইউনিয়নে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর উলেস্ন¬খযোগ্য অর্জনসমূহঃ

 স্থানীয় সরকার, জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে মাওনা ইউনিয়নে শতভাগ অনলাইন জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করা হয়েছে এবং শতভাগ জন্ম নিবন্ধন অর্জনকারী ইউনিয়ন হিসাবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
 মাওনাস ইউনিয়ন তথা সমগ্র গাজীপুর জেলায় অনলাইন জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
 উপজেলা প্রশাসন এবং ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্বে মাওনা  ইউনিয়নকে শিশু বিবাহ মুক্ত ইউনিয়ন হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
 শিশু অধিকার নিশ্চিত ও জেন্ডার বৈষম্য দূর করার জন্য মাওনা ইউনিয়নে ১টি শিশু ফোরাম ও শিশু সুরক্ষা দল গঠন করা হয়েছে।
 বিকেন্দ্রীকৃত সার্বিক স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকারের নেতৃত্বে এবং উপজেলা প্রশাসনের দিক নির্দেশনায় পরিবার পর্যায়ে মাওনা ইউনিয়ন ২০০৬ সালে শতভাগ লেট্রি্ন কভারেজের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
 ৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সার্বিক স্কুল স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যাভ্যাস উন্নয়নের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
 ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়ে ও ছেলে শিশুদের জন্য আলাদা ল্যাট্রিন স্থাপন ও পানির সুব্যবস্থা করা হয়েছে।
 মাওনা ইউনিয়নের জনগণের মধ্যে শৈশবকালীন শিশুর বেঁচে থাকা, বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অভিভাবক ও শিশুর যত্নকারীদের শিশু লালন-পালনে দক্ষতা বৃদ্ধি হয়েছে।
 মাওনা ইউনিয়নের মায়েরা তাদের ২ বছর বয়স পর্যমত্ম শিশুদের নিবিড় মাতৃদুগ্ধ পান করানোর গুরম্নত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়েছে।
 সরকারের ৪ টি কমিউনিট ক্লিনিকের মাধ্যমে প্ল্যান বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের জন্য কাজ করে আসছে।
 প্রতিমাসে ১০ টি বিসিসি সেশনের মাধ্যমে মায়েদেরকে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।
 বালক ও বালিকারা যাতে সমান সুযোগ পেয়ে যথাযথ যোগ্যতা নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় চক্র শেষ করতে পারে তার সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য
৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কারিগরী সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় শিশু ও কমিউনিটির অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
 কৌশলগত এবং ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রায় ৮০০ পরিবারের কৃষিভিত্তিক উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে।
 প্ল্যান বাংলাদেশ এর সার্বিক কার্যক্রম সমূহ মাওনা ইউনিয়ন পরিষদ, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, পরামর্শ ও উদ্যোগে বাসত্মবায়িত হচ্ছে।

 

২। ব্য্রাক।

৩। প্রশিকা।

৪। আহসানিয়া মিশন।

৫। এস এস এস।

৬। গ্রামিণ শক্তি।

৭। আশা।

৮। সোসাল সার্ভিসেস লি.।

৯। মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ লি.।

১০। বাযোগ্যাস প্রকল্প।